1. s.m.s.journalist.bd@gmail.com : kalmakanda :
  2. multicare.net@gmail.com : news : Kalmakanda News Online
কলমাকান্দায় বালু মহাল ইজারা নিয়ে পাথর উত্তোলন
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০৫ অপরাহ্ন

কলমাকান্দায় বালুমহাল ইজারা নিয়ে পাথর উত্তোলন! (পর্ব-২)

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৪৫ বার পড়া হয়েছে

এসএম শামীম : নেত্রকোনার কলমাকান্দায় ‘ওমরগাঁও, হাসানোয়াগাঁও এবং বিশাউতি বালু মহাল’ ইজারা নিয়ে উত্তোলন করা হচ্ছে লাখ লাখ টাকার পাথর। উপজেলার সীমান্তবর্তী মহাদেও নদীতে ড্রেজার বসিয়ে চলছে পাথর উত্তোলনের কাজ। শুধু তাই নয়, উক্ত মহালের বালু ও পাথর বহনকারী শত শত লড়ি ও হ্যান্ডটলির চলাচলে ধ্বংস এখন কলমাকান্দা-বরুয়াকোনা সড়ক।

কলমাকান্দা.কম-এর অনুসন্ধানী ৩ পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ ২য় পর্ব।

২০২১ সালের ৩ মার্চ নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় (রাজস্ব শাখা) হতে প্রকাশিত বালুমহাল ইজারার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী- ‘ওমরগাঁও, হাসানোয়াগাঁও এবং বিশাউতি বালু মহাল’এর নির্ধারিত আয়তন ৩৫.১৫ একর হলেও বাস্তবে এর ভোগদখল সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আয়তনের কয়েক গুণ বেশি। শুধু তাই নয়, বালুমহাল ইজারা নিয়ে অবৈধভাবে উত্তোলন হচ্ছে মূল্যবান পাথর! এ যেন- একের ভেতর দুই।

যদিও প্রভাবশালী মহলের লোকজন প্রশাসনের নিষেধ তোয়াক্কা করছে না বলে রয়েছে অভিযোগ। তবে, কেন বা কি কারণে নির্দেশনা মানা হচ্ছে না তা নিয়ে রয়েছে ধুম্রজাল!

এদিকে কলমাকান্দা বাজার হতে সীমান্তবর্তী বরুয়াকোনা বাজারে যাওয়ার রাস্তার বর্তমান অবস্থা এতোটাই খারাপ যে- গণপরিবহন দূরের কথা পায়ে হেঁটে যাওয়াটাও কষ্টকর। বর্তমানে রাস্তায় খানাখন্দের শেষ নেই। কোথাও কোথাও এমন অবস্থা যে- ধানের চারা রোপণ বা মাছের পোনাও চাষ করা সম্ভব।

স্থানীয় ওমরগাঁও গ্রামরে বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিন জানান, এই রাস্তা দিয়ে আমাদের বরুয়াকোণা টু কলমাকান্দা যাতায়াত করতে হয়। আর যাতায়াতের মাধ্যম হল অটোরিকশা, এই খানাখন্দের কারণে এখন যাতায়াত করা যায়না। বিশেষ প্রয়োজনে বের হলেও মনে হয় মৃত্যু ফাঁদের উপর দিয়ে যাতায়াত করছি।

এ বিষয়ে তথ্য জানতে বালু মহালের পরিচালক শামীম আহমেদকে কল করলে তিনি বলেন, আপনি যে বিষয়ে তথ্য জানতে চান তা লিখে আমাকে মেইল করেন। পরে ওই সময় (১৯ আগস্ট) তাকে প্রশ্ন মেইল করা হলে তিনি সোমবার (২৩ আগস্ট) একটি ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েছেন। পাঠকদের উদ্দেশ্যে বার্তাটি তুলে ধরা হল-

‘শামীম ভাই আপনার মেইল এবং প্রশ্ন দুটোই আমি পেয়েছি। কিন্তু আপনার মেইলের যে শিরোনাম বা প্রশ্নের যে শিরোনাম সেটার সাথে আমার তো কোন যোগাযোগ নেই। অর্থাৎ আপনি যে শিরোনামের বালুমহালের কথা বলেছেন আমার পরিচালিত বালুমহাল টি ওই শিরোনাম ভুক্ত নয়। তথাপিও আমি যতটুকু জানি নদীর পাড়ের যারা জমির মালিক তারা তাদের জমি ভাড়া দিয়ে তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে লাভবান হচ্ছে এখানে আমার সংশ্লিষ্টতা কোথায়? বা আমার মতামতের গুরুত্ব কোথায়? ধন্যবাদ।’

উল্লেখিত বিষয়ে কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা বলেন, আমারা বিষটি তদারকি করছি। পাথর উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই এবং লড়ি চলাচল করতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে, রাতের আধাঁরে কেউ তা চালালে আমারা কি করতে পারি। সব সময়তো আর দেখবাল করা সম্ভব হয় না।

উল্লেখ্য, এ বিষয়ের ভিডিওচিত্র ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক তালুকদার এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য মানু মজুমদারের বক্তব্য ৩য় পর্বে তুলে ধরা হবে।

বি:দ্র: ৩য় পর্বের পর আসছে বিশেষ পর্ব- ‘বালুখেকো এখন কলমাকান্দায়’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

সর্বশেষ খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : এসএম শামীম

ইমেইল : kalmakandanews@gmail.com

মোবাইল : 01627603406

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট